বেলডাঙ্গা থেকে প্রায় ৬ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সুজাপুর গ্রাম। এল.লায়েন এণ্ড কোম্পানি -র একটি নীল উৎপাদন কারখানা ছিল এখানে। এই কোম্পানির অধীনে ভাগিরথী নদীর অপর পাড়ে কামনগর গ্রামে একটি নীলকুঠীর ছিল। প্রায় ২,০০০ বিঘা জমিতে এই কোম্পানি নীল চাষ করতো । ৫০০ থেকে ৬০০ জন শ্রমিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাদেরকে দিন মজুরি দেওয়া হতো। এই কারখানায় প্রায় ৫০ থেকে ১০০ মণ পর্যন্ত নীল উৎপাদন হতো। তবে উৎপাদনের পরিমাণ আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপর তারতম্য ঘটতো। বর্তমানে সুজাপুরে ভাগিরথী নদীর বাঁধের সংলগ্ন কারখানার চৌবাচ্চার মেঝের অংশটি ভাঙা অবস্থায় এখনো বিদ্যমান। গ্রামের এই পাড়াটি কুঠী পাড়া নাম নিয়ে নীল চাষের পোঁড়া সলতি বুকে করে আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে।
বেলডাঙ্গা, সুজাপুর নীলকুঠীর কারখানা
বেলডাঙ্গা থেকে প্রায় ৬ কিমি উত্তর-পশ্চিমে সুজাপুর গ্রাম। এল.লায়েন এণ্ড কোম্পানি -র একটি নীল উৎপাদন কারখানা ছিল এখানে। এই কোম্পানির অধীনে ভাগিরথী নদীর অপর পাড়ে কামনগর গ্রামে একটি নীলকুঠীর ছিল। প্রায় ২,০০০ বিঘা জমিতে এই কোম্পানি নীল চাষ করতো । ৫০০ থেকে ৬০০ জন শ্রমিক এই কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিল। তাদেরকে দিন মজুরি দেওয়া হতো। এই কারখানায় প্রায় ৫০ থেকে ১০০ মণ পর্যন্ত নীল উৎপাদন হতো। তবে উৎপাদনের পরিমাণ আবহাওয়া ও জলবায়ুর উপর তারতম্য ঘটতো। বর্তমানে সুজাপুরে ভাগিরথী নদীর বাঁধের সংলগ্ন কারখানার চৌবাচ্চার মেঝের অংশটি ভাঙা অবস্থায় এখনো বিদ্যমান। গ্রামের এই পাড়াটি কুঠী পাড়া নাম নিয়ে নীল চাষের পোঁড়া সলতি বুকে করে আজও ইতিহাসের সাক্ষী হয়ে রয়েছে।
শেয়ার করুন
Subscribe to:
Post Comments (Atom)

No comments:
Post a Comment